বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st নভেম্বর ২০২১

কীটতত্ত্ব বিভাগ

                                               গবেষণা পরীক্ষণের নাম

                                                     কীটতত্ত্ব বিভাগ

 

১। বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে মুগ ডালের ফ্লাওয়ার থ্রিপস পোকা দমন 

২। আইপিএম/আইসিএম পদ্ধতিতে সয়াবিনের পাতা মোড়ানো পোকা দমন 

৩। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে  মরিচের লাল মাকড় পোকা দমন 

৪। বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে ধানের মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকা দমন 

৫। ফল আর্মি লিওর এবং এফএনপিবি ব্যবহার করে ভূট্টার ফল আর্মিওয়ার্ম পোকা দমন 

৬। আইপিএম/আইসিএম পদ্ধতিতে তিলের পাতা মোড়ানো পোকা দমন

৭। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে  ঢেড়সের জেসিড পোকা দমন

৮। বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করে পাটের লাল মাকড় পোকা দমন

৯। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে  রসুনের থ্রিপস পোকা দমন

১০। কাঁচা মরিচে প্রয়োগকৃত ক্লোরোপাইরিফস বিষের অবশিষ্টাংশ নির্ণয় করা

১১। বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে তূলার দাগযুক্ত বলওর্য়াম পোকা দমন

১২। মাঠে চাষকৃত ধানের বিভিন্ন অগ্রগামী লাইনে মাজরা পোকা আক্রমনের মাত্রা নিরুপন

১৩। নেট হাউজের পরীক্ষণ দ্বারা মাঠে চাষকৃত গরম সহনশীল ধানের  বিভিন্ন অগ্রগামী লাইন থেকে  বাদামী গাছফড়িং  প্রতিরোধী  লাইন আলাদা করা

১৪। পাটের বিভিন্ন অগ্রগামী লাইনে বিছা ও চেলে পোকা  আাক্রমনের  মাত্রা  বাছাই করন

১৫। মাঠে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে বৎসর ব্যাপী আগত পোকার তালিকা প্র্রনয়ন

       ১৬। গামা রেডিয়েশনের মাধ্যমে পোকাকে বন্ধা করে কিউকারবিট সবজির  ফ্রুট ফ্লাই পোকা দমন

       ১৭। HPLC/GC/MS ব্যবহার করে কৃষকের মাঠ ও বাজার থেকে সবজি নমুনা সংগ্রহ করে উহাতে প্রয়োগকৃত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নির্নয়

       ১৮। উদ্ভিদ নির্যাস/রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যবহার করে গোদাম জাত ফসল (চালের পোকা, ধানের মথ, ময়দার পোকা) এর পোকা দমন।

       ১৯। ডালের পোকা কত রেডিয়েশন মাত্রায় বন্ধা হয় তাহা নির্নয়

       ২০। লিংক এসএসআর মার্কার পদ্ধতিতে ধানের বাদামী গাছ ফড়িং প্রতিরোধী জাত বের করা

 

                                                    

 

                                 উদ্দেশ্য

১. মুগ ডালের ফ্লাউয়ার থ্রিপস পোকা দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

২. সয়াবিনের পাতা মোড়ানো পোকা দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

৩. মরিচের লাল মাকড় দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

৪. ধানের মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকা দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

৫. ভূট্টার ফল আর্মিওয়াম পোকা দমনের পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি বের করা

৬. তিলের পাতা মোড়ানো পোকা দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

৭. ঢেড়সের জেসিড পোকা দমনের পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি বের করা

৮. পাটের লাল মাকড় দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

৯. রসুনের থ্রিপস পোকা দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

১০. কাঁচা মরিচে প্রয়োগকৃত ক্লোরোপাইরিফস বিষের অবশিষ্টাংশ নির্ণয় করা

১১. তূলার দাগমুক্ত বল ওয়ার্ম পোকা দমনের উপযুক্ত পদ্ধতি বের করা

১২. মাঠ চাষকৃত ধানের বিভিন্ন অগ্রগামী লাইনে মাজরা পোকা আক্রমনের মাত্রা  নিরুপন করা

১৩. নেট হাউজের পরীক্ষণ দ্বারা মাঠে চাষকৃত গরম সহনশীল ধানের  বিভিন্ন অগ্রগামী লাইন  থেকে  বাদামী গাছফড়িং  প্রতিরোধী  লাইন আলাদা করা

১৪. পাটের বিভিন্ন অগ্রগামী লাইনে বিছা ও চেলে পোকা আক্রমনের মাত্রা বাছাই করা

১৫. মাঠে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে বৎসর ব্যাপী আগত পোকার তালিকা প্র্রনয়ন করা

১৬. গামা রেডিয়েশনের মাধ্যমে সবজির ফ্রুট ফ্লাই পোকা দমনের পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি  বের করা

১৭. বাজার ও কৃষকের মাঠ থেকে সবজির নমুনা সংগ্রহ করে এবং HPLC/GC/MS ব্যবহার করে  কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নির্ণয় করা

১৮. গোদাম জাত ফসলের পোকা  দমনের জন্য উদ্ভিদ নির্যাস/রাসায়নিক পদ্ধতি বের করা

১৯. ডালের পোকা কত রেডিয়েশন মাত্রায় বন্ধা হয় তাহা নির্নয় করা

২০. ধানের বাদামী গাছ ফড়িং প্রতিরোধী জাত বের করার জন্য লিংক এসএসআর পদ্ধতি  ব্যবহার   করা

 

                                           

                                                গবেষণা  থেকে অর্জন

                                                   কীটতত্ত্ব বিভাগ

 

         ১। অল্প মাত্রায় (৫-১০ গ্রে) রেডিয়েশন দিয়ে ডালের Pulse beetle পোকা দমন করা।

২। বন্ধ্যা পোকা মাঠে ছেড়ে এবং ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার করে সবজির ফ্রুট ফ্লাই ( মাছি পোকা ) দমন করা।

৩। নেট হাউজ পরীক্ষণ থেকে বলা যায় বিনাধান-২০ এবং N4/250/ P-2(6)-26 অগ্রগামী লাইনটি বাদামী গাছ

    ফড়িং এর ক্ষেত্রে মর্ডারেটলি টলারেন্ট।

৪। ভোজ্য তেল ব্যবহার করে ডালের pluse beetle পোকা দমন করা।

৫। কাইজ থোর অবস্থায় ধানের মাঠে প্রবাহমান বিষ প্রয়োগ করে মাজরা পোকার (মরা শিষ) দমন করা।

৬। বায়োট্রিন (জৈব বালাইনাশক) ব্যবহার করে  ঢেড়সের জেসিড পোকা দমন করা।

৭। সিপ আপ ১০ইজি এবং আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করে রসুনের থ্রিপস পোকা দমন করা।

৮। ১ম ধাপের পোকা হাত বাছাই এবং আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে পাট, মুগ ও তিলের বিছা পোকা দমন করা।

৯। হাত বাছাই এবং ভিরতাকো ৪০WG স্প্রে করে সয়াবিনের পাতা মোড়ানো পোকা দমন করা।

১০। গামা রেডিয়েশনের মাধ্যমে পোকাকে বন্ধা করে কিউকারবিট সবজির ফ্রুট ফ্লাই পোকা দমন করা।

১১। পরিষ্কার করণ, বিএসএফবি ফেরো এবংবায়ো-চমক ব্যবহার করে বেগুনের বিএসএফবি পোকা দমন করা।

       ১২। বায়োক্লিন (জৈব বালাইনাশক) ব্যবহার করে পেপেঁ এবং সাইট্রাস ফলের মিলিবাগ দমন করা।

      ১৩। কে-মাইট (জৈব বালাইনাশক) ব্যবহার করে  মরিচের লাল মাকড়  দমন করা।

      ১৪। এরেষ্ট লিউর ব্যবহার করে ব্যাপক ভাবে সবজির ফ্রুট ফ্লাই (মাছি পোকা ) দমন করা।

      ১৫। ফল আর্মি লিউর এবং FNPV  স্প্রে করে ব্যাপকভাবে ভুট্টার ফল আর্মিওয়ার্ম পোকা দমন করা।

Entomology_Nikhos.pdf Entomology_Nikhos.pdf

Share with :

Facebook Facebook