মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ মার্চ ২০১৮

বিনাধান-১৪

জাতের নামঃ

 

বিনাধান-১৪

জাতের বৈশিষ্টঃ

 

  • বিনাধান-১৪ নাবি রোপনোযোগী ।
  • অধিক ফলনশীল ।
  • উচ্চ তাপমাত্রা সহিষ্ণু বোরো ধানের জাত।

জমি ও মাটিঃ

 

বেলে দো-আঁশ এবং এটেল দো-আঁশ জমি বিনাধান-১৪ চাষের উপযোগী।

জমি তৈরীঃ

 

জাতটির চাষাবাদ পদ্ধতি অন্যান্য উফশী রোপা আমন জাতের মতই। 

 

বপণের সময়ঃ

 

জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ হতে আগষ্টের শেষ সপ্তাহ অর্থাৎ শ্রাবণ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ হতে শুরু করে ভাদ্র মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যমত ২০-২৫ দিন বয়সের চারা রোপন করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

বীজ হার ঃ

 

 প্রতি হেক্টর জমি চাষের জন্য ২৫-৩০ কেজি বা এক একর জমির জন্য ১০-১২ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়।

বীজ শোধন ঃ

 

প্রতি ১০ কেজি বীজে ২৫ গ্রাম ভিটাভ্যাক্স-২০০ বা ব্যাভিস্টিন ব্যবহার করা যেতে পারে। বীজ শোধনের জন্য মাত্রানুযায়ী ছত্রাকনাশক মিশিয়ে একটি বদ্ধ পাত্রে ৪৮ ঘন্টা রাখা আবশ্যক।

সার ও প্রয়োগ পদ্ধতিঃ

 

সার প্রয়োগ

হেক্টর প্রতি ১২০-১৫০ কেজি নাইট্রোজেন, ২০-২৮ কেজি ফসফরাস, ৫০-৭০ কেজি পটাশিয়াম, ১২-২০ কেজি সালফার, ২ কেজি জিংক এবং ১ কেজি বোরণ

 

প্রয়োগের নিয়মঃ

রোপার জন্য জমি তৈরীর শেষ চাষের আগে সম্পূর্ণ টিএসপি এবং এমওপি জমিতে সমভাবে ছিটিয়ে চাষের মাধ্যমে মাটির সাথে ভালভাবে  মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সারের অর্ধেক পরিমাণ চারা রোপনের ৭-৮ দিন পর,  এবং বাকি অর্ধেক ৩০-৩৫ দিন পর জমির উর্বরতার উপর নির্ভর করে প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া সার প্রয়োগের ২/১ দিন আগে জমির  অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে হবে এবং প্রয়োজন হলে আগাছা দমন করতে হবে। জমির উর্বরতা ও ফসলের অবস্থার উপর নির্ভর করে ইউরিয়া সার প্রয়োগ মাত্রার তারতম্য করা যেতে পারে। মনে রাখতে হবে টিএসপি ও দসত্মা সার একই সাথে প্রয়োগ করা যাবেনা। তাই এক্ষেত্রে একচাষ পূর্বে টিএসপি প্রয়োগ করতে হবে এবং শেষ চাষের সময় ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সার ছিটিয়ে প্রয়োগ করা অবশ্যক।

 

 সেচ ও নিষ্কাশনঃ

 

জমি তৈরীর সময় ২/৩ বার স্বাদু পানি দিয়ে লবণাক্ত পানি বের করে দিলে জমির লবণাক্ততা অনেকটা কমে যায়। তাছাড়া কুশি, ফুল আসা ও পরিপক্কতার সময় লবণের মাত্রা ১০ ডিএস/মিটারের বেশী হলে স্বাদু পানি দিয়ে লবণাক্ততা কমিয়ে আনতে হবে। ধান পাকার ১০-১২ দিন আগে জমির পানি শুকিয়ে ফেলা ভাল।

আগাছা দমন ও মালচিংঃ

 

চারা রোপনের পর আগাছা দেখা দিলে নিড়ানী বা হাতের সাহায্যে আগাছা পরিষ্কার এবং মাটি নরম করে মালচিং করতে হবে ।

বালাই ব্যবস্থাপনাঃ

 

ধানের মাজরা ও পাতা মোড়ানো পোকার আক্রমণ দেখা দিলে কেস্নারানট্রানিলিপ্রোল গ্রম্নপের কোরাজেন বা ভিরতাকো ব্যবহার করা যেতে পারে। কোরাজেন প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৩ মিলি বা ভিরতাকো প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম ৫ শতক জমির জন্য প্রয়োগ করতে হবে। ধানের খোলপড়া রোগের জন্য হে∙vকোনাজল বা ডাইফেনোকোনাজল গ্রম্নপের ছত্রাকনাশক প্রতি একরে ২০০ মিলি মাত্রায় প্রয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়াও বস্নাস্ট রোগের আক্রমণ দেখা দিলে ট্রুপার প্রতি একওে ১৬০ গ্রাম মাত্রায় প্রয়োগ করা যেতে পারে।

হেক্টর প্র্তি ফলনঃ

:

উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিচর্যায় বিনাধান-১৪ এর ফলন হয় হেক্টর প্রতি গড়ে ৬.৯ টন।

 

চিত্র: বিনাধান-১৪ এর মাঠ

 

 

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

ধান ফসল বিশেষজ্ঞ

(সকাল ৯ টা-বিকাল ৫টা)

কল করুনঃ +8801710763003

ই-মেইলঃ makazad.pbdbina@yahoo.com

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও পদবী

ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ

মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা

উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, বিনা, ময়মনসিংহ-2202


Share with :
Facebook Facebook