মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ জুন ২০১৮

বিনারসুন-১

 

জাতের নাম বিনারসুন-১
জাতের বৈশিষ্ট্য 
  • গাছের গড় উচ্চতা ৭৫-৮০ সে.মি
  • প্রতিটি বাল্বের গড় ওজন ২৬.২৫ গ্রাম
  • প্রতিটি গাছে পাতার সংখ্যা ১১-১৪ টি
  • প্রতিটি বাল্বে কোয়ার সংখ্যা ২৪-৩০টি
  • রোগ ও পোকার আক্রমণ খুব কম
  • জীবনকাল ১৩৫-১৪০ দিন
  • উচ্চ ফলনশীল ও ভাল সংরক্ষণ গুণাগুণ সম্পন্ন
হেক্টর প্রতি ফলন ১৩-১৫ টন  
জমি ও মাটি জৈব পদার্থ দোআঁশ মাটি রসুন চাষেল জন্য উত্তম। যে মাটির pH মাত্রা ৬-৭ সেই মাটিতে রসুন সবচেয়ে ভাল হয়। বেলে মাটিতে রসুন খুব একটা ভাল হয় না। উচ্চ ক্ষারীয় লবণাক্ত মাটি রসুনের জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়। 
জমি তৈরি সাধারণত ৬-৭ চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝরা করে  জমি তৈরি করতে হয়। জমিতে আগাছা থাকলে তা পরিষ্কার করে জমি সমতল করে বেড তৈরি করতে হভে। এক্ষেত্রে এক বেড থেকে অন্য বেডের মাঝে পানি নিষ্কাশনের জন্য ৫০ সেমি. প্রশসত্ম নালা রাখতে হবে।
বপনের সময় মধ্য অক্টোবর-এপ্রিল মাস  
বীজ হার  প্রতি হেক্টরে ৫০০-৭০০ কেজি কোয়া।
বীজ শোধন উৎকৃষ্ট রসুন থেকে বড় বড় কন্দ বেছে রোপন করলে বীজ শোধনের প্রয়োজন নেই।
সার ও প্রয়োগ পদ্ধতি ইউরিয়া, টিএসপি,এমপি ও জিপসাম সার (৩০০, ২০০, ৩০০ ও ১০০ কেজি) তিন কিসিত্মতে (জমি তৈরীর সময় ও চারা লাগানোর ২৫ দিন ৫০ দিন এবং টিএসপি সার জমি চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে।প্রতি হেক্টর জমিতে ৫.০ টন গোবর প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
সেচ ও নিস্কাশন রসুনের কোয়া বপন করেই একবার সেচ দিতে হয়। রসুন চাষে ৮-১০টি সেচের প্রয়োজন হয়।
আগাছা দমন এবং মালচিং বীজ বোপনের পরে কচুরি পানা দ্বারা মালচিং করতে হবে। জমি নিয়মিত আগাছা মুক্ত রাখতে হবে এবং গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দিতে হবে। 
বালাই ব্যবস্থাপনা  বিনারসুন-১ জাতে স্টেমফাইলিয়াম লিফ বস্নাইট রোগের সংক্রমণ কম হয়। তবে প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে মাঝে মধ্যে পাতা ঝলসানো রোগ হতে পারে। এ রোগের ফলে পাতার উপর কিনারায় ছোট ছোট সাদার গোল দাগ দেখা যায় যা পরবর্তীতে হলদে ও বড় বাদমী রং ধারণ করে শুকিয়ে খড়ের রং হয়। এ রোগ দমনের জন্য বোর্দোমিক্সার (তুঁতে:চুন:পানি= ১:১:১০০) বা ডাইথেন এম-৪৫ অথবা রোভরাল ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর পাতার স্প্রে করা যেতে পারে। 
হেক্টর প্রতি ফলন  হেক্টর প্রতি ফলন ১৩-১৫ টন। 
ছবি

 


Share with :

Facebook Facebook